Ten thousand farmers will be trained in Agrisensor project

Agrisensor Team visits China Key Systems and other tech giants to strengthen its capacity
January 26, 2018
Team Leader of Agrisensor Professor Md. Roshidul Hasan was invited as one of the panelist at Policy Cafe with Sajeeb Wazed
August 3, 2018

ই-ভিলেজ প্রকল্পে প্রশিক্ষণ পাবে দশ হাজার কৃষক

চাষ শুরুর পূর্বেই মাটির গুণাগুণ পরীক্ষা, ফসলের পোকামাকড় শনাক্ত করণে এগ্রিসেন্সর প্রকল্প সফল পরীক্ষা চালানো হয়েছে। প্রথম পর্বের সফলতার পর আগামী মাস থেকে সারা দেশের দশ হাজার কৃষককে প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা। প্রকল্প সহায়ক হিসেবে কার করছে গাজীপুরের বঙ্গবন্ধু কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও সেন্টার ফর রিসার্চ এন্ড ইনফরমেশন সিআরআই ও ইয়াং বাংলার সদস্যরা।

চলতি বছরের মার্চ মাস থেকে গাজীপুরের পাজুলিয়া গ্রামে পাইলট প্রকল্পের আওতায় চালু হয় এগ্রিসেন্সর প্রকল্প। স্মার্ট ফোনে এগ্রিসেন্সর অ্যাপ্লিকেশন ও একটি সেন্সর যন্ত্রের সাহায্যে মাটির গুণাগুণ পরীক্ষা করতে পারেন কৃষকেরা। এছাড়াও জমিতে সার ও বীজের পরিমাণও নির্ধারণ করা হয় এর মাধ্যমে। প্রকল্পের আওতায় চীন সরকার ও উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন সিআরআই ও ইয়াং বাংলার এর সহায়তায় জমি চাষের আগে-পরে ও ফসল কাটার আগ পর্যন্ত ফসল পরীক্ষার জন্য গ্রামের ১৫ টি পরিবারকে বিনামূল্যে একটি করে স্মার্ট ফোন ও এই বিশেষ যন্ত্রটি দেয়া হয়। যেখানে প্রত্যাশার চেয়েও বেশি ফসল উৎপাদন সম্ভব হয়েছে বলে দাবি করেছেন এর উদ্ভাবক অধ্যাপক মো. রশীদুল হাসান।

তিনি বলেন, ‘কৃষক শুধু ড্যাটা পাঠাবে। আমরা সেটাকে ফিল্টার করে কৃষকে সিদ্ধান্তটা দেবো বংলাতে। আমরা পাইলট করতে গিয়ে হাইপোথিসিস ধরেছিলাম, ৪০ শতাংশ লাভ পাবো। কিন্তু কৃষকরা প্রায় ৬০ শতাংশ সুবিধা পাচ্ছে।’

সিআরআই এর সহায়তায় পাইলট প্রজেক্ট সফল হওয়ায় এগ্রিসেন্সর নামক এই প্রকল্পের বিষয়ে আগামী মাস থেকে দেশের দশ হাজার কৃষককে প্রশিক্ষণ দেয়ার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।

অধ্যাপক মো. রশীদুল হাসান বলেন, ‘প্রত্যেক জেলায় দশ হাজার কৃষক এবং মোট একশটা গ্রাম নিয়ে আমরা এই প্রকল্পটা করতে চাচ্ছি।’

খাদ্য শষ্যের পাশাপাশি, পশুপালন ও মাছ চাষের ক্ষেত্রেও এগ্রিসেন্সর নামক এই সেন্সর ডিভাইস ব্যবহার করে ক্ষতি কমিয়ে উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব হবে বলেও দাবি করেন উদ্ভাবক। ফলে ১৬ কোটি মানুষের এই জনবহুল দেশে খাদ্য ঘাটতির চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা সম্ভব হবে বলে মনে করেন এর উদ্ভাবক।